Tuesday, December 13, 2022

ইউনিয়ন পরিষদ আইন ২০০৯ অধীনে গঠিত সিনিয়র সহকারী জজ আদালত ও নির্বাচন ট্রাইবুনাল আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে আপিল হবে

 ইউনিয়ন পরিষদ আইন ২০০৯ এর ২৩ (৪) ধারা ও স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) নির্বাচন বিধিমালা, ২০১০ এর বিধি ৬১ (৩) অনুসারে বিজ্ঞ সিনিয়র সহকারী জজ আদালত ও নির্বাচন ট্রাইবুনাল আদালতের কোন অদেশ বা রায় এর বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ হল আপিল কিন্তু অনেকে ভুলক্রমে আপিল দায়েরের পরিবর্তে সিভিল রিভিশন দায়ের করেন যাহা সমপূর্নরুপে ইউনিয়ন পরিষদ আইন ও বিধির ব্যত্যয় পরিপন্থি। উক্ত আইনে বিচার প্রক্রিয়ায় দেওয়ানী কার্যবিধির অনুসরন করা হয় এতে অনেকে ভাবেন জেলা জজ আদালতে সিভিল রিভিশন হইবে যাহা ভুল ধারনা। ইউনিয়ন পরিষদ আইন ২০০৯ এর ২৩ (৪) ধারা ও স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) নির্বাচন বিধিমালা, ২০১০ এর বিধি ৬১ (৩)রায় বা আদেশের ক্ষেত্রে আপিল হইল যথাযথ ফোরামkHAN JAHAN Ali (kalu) Patawari vs-Md. Yousuf khan, 4ALR-2014-2, 248 উক্ত মামলায় রায় বলা হয়েছে

“The provision of section 115 of the CPC has conferred jurisdiction in this Court to hear revision application from a suit or proceeding which is decided by a sub-ordinate Court in its capacity as a civil Court and in its exercise of its jurisdiction under CPC. The impugned judgment and order , in the instant case , has been passed in an election appellate Tribunal, constitute under this section 23 (1) of the Local Government (Union Council ) Act, 2009. Hence, in this case section 115 of the CPC shall not apply.”
 
Avwcj মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) নির্বাচন বিধিমালা, ২০১০ এর সংশ্লিষ্ট  বিধি 

৬১। নির্বাচনী দরখাস্ত এবং নির্বাচনী আপীল নিষ্পত্তি।⎯


(১) নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল কোন নির্বাচনী দরখাস্ত প্রাপ্তির পর দরখাস্তে উল্লিখিত সকল বিবাদীকে নোটিশ প্রদান করিবেন।


         (২) নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল, দরখাস্তকারীকে এবং দরখাস্ত প্রতিদ্ব›দ্বীতাকারী বিবাদীগণকে, যদি কেহ থাকেন, শুনানীর সুযোগ প্রদান করিবেন এবং উভয় পক্ষের সাক্ষ্য গ্রহণের পর উহার বিবেচনায় যথোপযুক্ত আদেশ প্রদান করিতে পারিবেন।


(৩) নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালের আদেশ দ্বারা সংক্ষুব্ধ পক্ষ, উক্ত আদেশ প্রদানের তারিখ হইতে ত্রিশ (৩০) দিনের মধ্যে, নির্বাচনী আপীল ট্রাইব্যুনালে আপীল দায়ের করিতে পারিবেন এবং সেইক্ষেত্রে নির্বাচনী আপীল ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হইবে।


(৪) নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক কোন নির্বাচনী দরখাস্ত দাখিলের একশত আশি (১৮০) দিনের মধ্যে এবং নির্বাচনী আপীল ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক নির্বাচনী আপীল দায়েরের একশত বিশ (১২০) দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করিতে হইবে।


(৫) নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল নির্বাচনী দরখাস্ত শুনানীর পর কোন নির্বাচিত প্রার্থীর নির্বাচন বাতিল বলিয়া ঘোষণা করিতে পারিবেন, যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে⎯


(ক) নির্বাচিত প্রার্থীর মনোনয়ন অবৈধ ছিল ; বা


(খ) নির্বাচিত প্রার্থী মনোনয়নের তারিখে চেয়ারম্যান, বা, ক্ষেত্রমত, সদস্য পদে নির্বাচিত হইবার অযোগ্য ছিলেন; বা


(গ) দুর্নীতিমূলক কার্যকলাপ বা বেআইনী আচরণ দ্বারা নির্বাচনী ফলাফল অর্জন করা হইয়াছে বা উত্তরূপ ফলাফল অর্জনের জন্য উক্তরূপ কার্যকলাপ বা আচরণ করা হইয়াছে; বা


(ঘ) নির্বাচিত প্রার্থী বা তাহার নির্বাচনী এজেন্ট বা অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক পরস্পর যোগসাজশে কোন দুর্নীতিমূলক কার্যকলাপ বা বেআইনী আচরণ করা হইয়াছে; বা

 (ঙ) নির্বাচিত প্রার্থী বিধি ৪৯ এর উপ-বিধি (১) এ বর্ণিত নির্বাচনী ব্যয়ের সীমার অতিরিক্ত অর্থ খরচ করিয়াছেন।

নির্বাচনের সাধারন নিয়মের মধ্যে ভোট গ্রহন বা গননার সময় বা পরে কোন ধরনের অনিয়ম হলে প্রতিদন্ধিতাকারীপক্ষের এজেন্ট বা প্রতিনিধি অথবা কোন প্রার্থী লিখিত বা মৌখিক আপত্তি দাখিল করবেন। নির্বাচন চলমান অবস্থায় অথবা নির্বাচন শেষে ভোট গননার আগে বা পরে কোন প্রতিদন্ধিতাকারী পক্ষের এজেন্ট বা প্রতিনিধি অথবা কোন প্রার্থী ভোট গ্রহন অথবা ভোট গননার অনিয়মের অভিযোগ আনয়ন না করেন অথবা সকল প্রার্থী তথা চেয়ারমান, ভাইস চেয়ারমান এবং মেম্বার প্রার্থী অথবা তাদের এজন্টেগন আপত্তি আনয়ন না করেন এবং তাহারা ফিষ  নির্বাচনী ফলাফলে সাক্ষর করেন। সেক্ষেত্রে বিজ্ঞ আদালতে সাক্ষ্য প্রমান গ্রহন ব্যতিত একতরফা আদশে প্রদান করিতে পারেন না মহামন্য সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সিদান্ত রয়েছে। যেমন, ২৮ ইখউ(অউ) (২০০৮) ২৪১ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের উক্ত মামলায় রায় বলা হয়েছে

“In order to make out a case for recounting the person who challenges the counting has to prove that at the time of counting votes by the Presiding Officer a contesting candidate or his election agents upon raising specific objection as specifically requested the Presiding Officer to re-count the ballot papers and the same was improperly refused or was not done in accordance with law

 

 মহামন্য সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে অন্য একটি মামলায় রায় দিয়েছেন46  DLR (AD) 96 উক্ত মামলায় রায় বলা হয়েছে

That before recounting of ballot papers evidence should be led for foundation for re-opening of the ballot papers.”

মহামন্য সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে অন্য একটি মামলায় রায় দিয়েছেন। ২ খঘঔ (২০১৩) ১১১ উক্ত মামলায় রায় বলা হয়েছে

After counting the ballot papers, the respondent No. 7 or any other contesting candidates did not take any steps to recount the ballots by filing any application before Presiding Officer of any of Polling Station which they would ordinarily have done if there was any truth in the pleas canvassed by the respondent No. 7 in his election petition and application for recounting of votes which was made after a lapse of seven months from counting of votes. In the absence of any evidence regarding improper counting of votes it is difficult to accept the finding of the tribunal that the factual foundation for inspection and recounting has been established satisfactorily. Court can safely ignore to take notice of allegation which is couched in vague and nebulous manner. The averments made in the petition and the materials brought on record by respondent No. 7 did not at all proved. Both the tribunals acted unlawfully in passing the order of inspection and recounting of ballot papers.….(13, 23, 27, 30 & 31)


ধন্যবাদান্তে

Muhammad Ullah,

Advocate,  Supreme Court of Bangladesh,

Head of  "Muhammad Ullah and Associates",  

Meherba Plaza, Suite No. 9/A, 

(9th Floor) 33, Topkhana Road, 

PuranaPaltan, Dhaka-1000.

Email: mullahiuk@gmail.com,

Cell :  01719917214



No comments:

Post a Comment