Tuesday, December 13, 2022

ইসলামী আইনে সুখাধিকার : একটি পর্যালোচনা

 ভূমিকাঃ  

ইসলাম আইনে ও বাংলাদেশে আইন সুখাধিকার রয়েছে এই বিষয়টা অনেকেই অবগত নয়। আমাদের সমাজে সুখাধিকার প্রয়োগের ক্ষেত্রে বাস্তব ও সমাজ জীবনে নানাবিধ সমস্যা প্রতিফলিত হয়। অনেক সময়ে দেখা যায় কোন ব্যাক্তি তার সম্পত্তির ব্যবহারের দ্বারা প্রতিবেশীর সম্পত্তির নষ্ট কিংবা একবারেই মুল্যহীন করে ফেলে যেমন আলো বাতাশ, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা, পথচলা চলের অধিকার সংকচিত করে ফেলে। আমাদের সম্পত্তির শান্তিপূর্ন ভোগ-দখলের ক্ষেত্রে প্রতিবেশির সাথে প্রায় ঝগড়া-বিবাদ লেগে থাকে। এমনকি এই কলহ-বিবাদেও সুষ্ঠ সমাধান শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হতে হয়। অথচ ইসলাম আইনে ও বাংলাদেশে আইন সুখাধিকার প্রয়োগে সুষ্ঠ সমাধান রয়েছে। 

ব্যবহার স্বত্ব/সুখাধিকার(Easement)  

সুখাধিকার এমন একটি অধিকার যাহা কোন জমির মালিক বা দখলকার উক্ত জমির লাভজনক ভোগের জন্য যাহা নিজের নহে এমর অন্য কোন জমিতে বা তাহার উপরে বা উক্ত জমি সম্পর্কে কোন কিছু করা এবং তা অব্যাহত রাখা,  কোন কিছু করা হইতে বাধা দেওয়া বা তাহা অব্যাহত রাখিবার স্বত্ব ভোগ করে” সুতরাং ইজমেন্ট বা সুখাধিকার বলতে এমন এ সুবিধাভোগী স্বত্বের অধিকারকে বুঝায় যদ্বারা কোন জমির মালিক বা দখলকার তার জমির সুবিধাজনক ভোগের জন্য অপর কোন ব্যক্তির জমির উপর দিয়ে কিছু করতে বা করা অব্যাহত রাখতে বা  কোন কিছু নিবৃত্ত করতে বা নিবৃত অব্যাহত রাখতে পারে। যেমন, পথের অধিকার,  ও ¯্রােতের অধিকার, পানি বের করে দেওয়ার অধিকার, আলো কিংবা বাতাসের অধিকার ইত্যাদি।

তামাদী আইনের ১৯০৮ এর ২(৫) ধারায় বলা আছে “ব্যবহার স্বত্ব বলতে এমন অধিকার বুঝায় যা কোন চু্িকতর ফলে উদ্ভুত হয় নাই। এবং যাদ্বারা কোন ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তি স্বত্বাধীন জমি কোন অংশ বা বা তার কোন ফসল বা তাতে সংযুক্ত বা অবাঞ্চিত কোন কিছ নিজের লাভের জন্য অপসারন ও ব্যবহার করার অধিকার লাভ করে। The Easements Act 1882 Gi 4 aviv g‡Z “An easement is a right which the owner or occupier of certain land possesses, as such, for the beneficial enjoyment of that land, to do and continue to do something or to prevent and continue to prevent something being done, in or upon, or in respect of, certain another land not his own

 

ইসলামী আইনে যভোবে ব্যবহার স্বত্ব/সুখাধকিার র্অজতি হয়ঃ

  ইসলামী আইন অন্যরে জমরি উপর দয়িে পথরে অধকিার বা পানি নষ্কিাশনরে এবং মহলিাদরে র্পদার অধকিার (Right of Easement র্অজন করার অনুমতি দয়িছে।ে র্পদার অধকিারকে প্রাচীন আইনতত্ত¡বদিগণ স্বীকার করনে ন।ি কতদনি ভোগ করলে সুখাধকিার র্অজন করা যাবে তা ইসলামী আইন নর্দিষ্টি করে দয়েন,ি তবে এ ভোগাধকিারকে প্রাচীন হতে হব।ে যমেন, কোন ব্যক্তি নতুন ইমারত তরৈীর সময় তার বাড়রি পানি অন্যরে জমরি উপর দয়িে বরে করে দবোর দাবি করতে পারে না।


BiZ&dvK¡v ev (e¨envi¯^Z¡) `vex Kivi mv‡_ m¤úwK©Z Bmjvgx weavbt

ইরত্ফাক্বা বা (ব্যবহারস্বত্ব) অধিকার দাবী করার ক্ষেত্রে মূল বিধান হচ্ছে, তা বৈধ ও জায়েয। কখনো এ দাবী করা আবশ্যক ও ওয়াজিব হয়ে যায়, যখন অধিকারের বিঘিœত হলে বৃহৎ ক্ষতির সম্ভবনা আশাংখা রয়েছে। ফিকহ বিজ্ঞানে কাওয়ায়েদে ফিকহিয়্যার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। কুরআন, সুন্নাহ, ইজমা, কিয়াস ও ইস্তিহসানের আলোকে ফিকহী কায়েদা সমূহের উদ্ভব হয়েছে। ইসলামী শরীয়াতের মাসয়ালা মাসায়েলের বিভিন্ন শাখা প্রশাখা রয়েছে সে সকল নীতিমালা কাওয়ায়েদুল ফিকহিয়্যাহর কাওয়ায়েদে থেকে পরিপূর্নভাবে অবগত হওয়া যায়। যেমন কাওয়ায়েদুল ফিকহিয়্যাহ একটি শাখা কায়েদা হলো- ( আল কাদিম ইউতরুকু আল কিদামিহি) ”

قدمه علي يترك القديم ا

অর্থাৎ ইসলামী শরীয়তে প্রবর্তিত পুরাতন কোন বিষয় তার পূর্বাবস্থায় বহাল থাকবে যতক্ষন না পর্যন্ত বিপরিত কিছু না আসে।

উপরোক্ত কাওয়ায়েদুল ফিকহিয়্যাহর শাখা কায়েদাটি ব্যাখ্যা বিশ্লেষন করলে ব্যবহার স্বত্ব/সুখাধিকার (জরমযঃ ড়ভ ঊধংবসবহঃ) সম্পর্কে পরিষ্কার ধারনা পাওয়া যায়। সুতরাং ইসতিহকাক বস্তু বা সম্পদ দাবীদারের মালিকানায় পরিনত হবে, পূর্বে তা যার কাছে ছিল সে তাতে আপত্তি করলেও এ মালিকানা স্থানান্তর মোটেই বাধাগ্রস্থ হবে না। কেউ কোনো দাবী দলিলসহ উল্লেখ করলে তা প্রমাণিত ও প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায়। এটিই অধিকাংশ ফকীহের মত।

 

ইসলামী আইন গ্রন্থসমূহে সুখাধিকারসমূহ অর্জনের বেশ কিছু নীতিমালা বর্ণিত হয়েছে, যেমন মাজাল্লাতুল আহকামিল আদালিয়্যাতে[১] এসেছে,

ধারা-১২২৪: কোনো পথ বা জল¯্রােত অথবা পানি বের করার অধিকারের ক্ষেত্রে সুখাধিকার হিসাবে প্রাচীনতার দিক বিবেচনা করা হবে। অর্থাৎ  পূর্বকাল থেকে বিদ্যমান আছে সেভাবে সেটা থাকবে। তবে যদি এর (প্রাচীনত্বের) বিপরীত কোনো প্রমান পাওয়া যায় সেটা ভিন্ন। আর শরী,আতের বিরোধী হলে সেটা প্রাচীন হলেও গ্রহনযোগ্য নয়। এতে যদি অপরিমিত ক্ষতি হয়, তবে তা অবশ্যই দূরীভূত করতে হবে। যেমন, যদি কোনো ঘর থেকে জনসাধারণের রাস্তার ময়লা -আবর্জনার  ড্রেন বের হয়, আর তা অনেক দিন থেকেই চলে আসছে এবং মানুষের, ক্ষতির কারণ হচ্ছে তখন সে ক্ষতির প্রতিকার করতে হবে, এতে প্রাচীনত্বের কোনো প্রভাব পড়বে না। 

 

 (ক) ধারা- ১২২৫: অন্যের আঙিনা বা চও¦র দিয়ে যদি কারও পথচলাচল বা অতিক্রম করার অধিকার থেকে থাকে, তাহলে মালিক ঐ ব্যক্তিকে পথ চলাচল বা অতিক্রম করা হতে বাধা দিতে পারবে না। (তবে শর্ত থাকে যে ঐ ব্যাক্তিকে প্রমান করতে হবে যে এখানে পূর্বকাল থেকেই তার চলাফেরার অধিকার ছিল)।


(খ) ধারা-১২২৬: মালিকের অনুমতিক্রমে কেউ যদি সুনির্দিষ্ট সময়ের জন্য অন্যের আঙিনা বা চও¦র দিয়ে পথ অতিক্রম করে, মালিক ইচ্ছা করলে এরপর তাকে সে পথে চলা থেকে নিষেধ করতে পারবে।

 

(গ) ধারা-১২২৭: যেখানে কোনো ব্যক্তির অন্যের সুনিদিষ্ট আঙিনার উপর দিয়ে পথচলাচলের অধিকার থাকে, মালিক যদি চলাচলের অধিকারসম্পন্ন ব্যক্তির অনুমতি নিয়ে ঐ পথের উপর কোন ভবন নির্মাণ করে, তাহলে তার পথ চলাচলের অধিকার বাতিল হয়ে যাবে এবং মালিকের সাথে তার কোনো বিবাদের অধিকার থাকবে না।

 

(ঘ) ধারা -১২২৮: যখন কোনো ব্যক্তির আবহমান কাল থেকে অন্যের আঙিনার উপর দিয়ে পানি সরবরাহের কৃত্রিম নালা এবং পানি নিষ্কাশনের অধিকার থেকে থাকে, তাহলে তাকে এই বলে বাধা প্রদান করা যাবে না যে ‘আপনাকে এর পরবর্তীতে আর পানি নিষ্কাশন করতে দেওয়া হবে না’। তারপর যদি সেটার কোনো সংস্কার প্রয়োজন হয়, তখন উভয়ে সেটা সংস্কার করতে পারবে। কিন্তুু অন্যর জায়গায় প্রবেশ ব্যতীত সংস্কার করা সম্ভব না হয়, তবে সে ব্যক্তি অবশ্যই তাকে সংস্কারের জন্য প্রবেশ করতে অনুমতি প্রদান করবে, না দিলে বিচারক তাকে তা প্রদান করতে বাধ্য করবে অথবা তাকেই সে নালাটি সংস্কার করে দেওয়ার নির্দেশ দিবে।

(ঙ) ধারা- ১২২৯: যদি কারও গৃহের বৃষ্টির পানি প্রতিবেশীর গৃহের উপর আবহমনকাল থেকে পড়ে, তাহলে প্রতিবেশী এই বলে বাধা প্রদান করতে পারবেনা যে, এরপর আমি আর পানি পড়তে দিব না।

 

(চ) ধারা -১২৩০ : কোনো ঘরের পানি পড়ার নল যদি আবহমান কাল থেকে কোনো রাস্তার উপর দেওয়া থাকে, আর সেখানে থেকে নিচে পূর্ব থেকে প্রবাহিত কোনো আঙিনায় পতিত হয়ে চালু থাকে,তথন আঙিনার মালিক সে প্রাচীন পানির প্রবাহকে বন্ধ করার অধিকারী হবে না। তারপর যদি সে তা বন্ধ করে দেয়, তবে সে বিচারকের কাছে এর প্রতিকার চাইতে পারে, যাতে বিচারক সেটাকে তার পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে দিতে পারে।

(Q) ধারা -১২৩১ :  কোনো ব্যক্তি নিজের ঘরের পানি নতুন করে অন্যের বাড়িতে প্রবাহিত করতে পারবে না।

(জ) ধারা- ১২৩২ : গৃহের মালিক অথবা এটা যার নিকট বিক্রি হয়েছে সে ক্রেতা, এমন কোনো পানিপ্রবাহ থেকে বাধা প্রদান করতে পারবে না যা পূর্ব থেকে প্রবাহিত রয়েছে। বরং যেভাবে পূর্বে ছিল সেভাবেই রাখতে হবে।


(ঝ) ধারা- ১২৩৩ : পানি প্রবাহিত করার ফলে যদি গৃহের কোনো অপরিমিত ক্ষতি হয় তাহলে ঘরের মালিক সেই পানি প্রবাহের অধিকারী ক্যক্তিকে এর জন্য ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে বাধ্য করতে পারবে।


ব্যবহার স্বত্ব/ সুখাধিকার লাভের সময়সীমা 

ইসলামী আইনে সুখাধিকার অর্জন করার অনুমতি দিয়েছে তবে  কতদিন ভোগ করলে সুখাধিকার অর্জন করা যাবে তা ইসলামী আইন নির্দিষ্ট করে দেয়নি। বাংলাদেশের The Easement Act 1882 এর ১৫ ধারা এবং The law of Limitation 1908 এর ধারা- ২৬ এ সুখাধিকার অর্জনের সময়সীমা  বর্নিত হয়েছে । যখন কোন আলো অথবা বাতাস প্রবেশ করার এবং সুবিধা অধিকার হিসেবে কোনরুপ বাধা প্রধান ব্যতিরেকে ২০ বৎসরকাল শান্তিপূর্নভাবে ভোগ করা হইয়াছে এবং তখন আলো কিংবা বাতাসের অনুরূপ গমনাগমন এবং ব্যবহারের অধিকার এবং এর সহায়ক যা কিছু থাকুক তা সুবিধা অধিকার হিসাবে বাধাহীনভাবে চূড়ান্ত হবে।তামাদী আইনের ২৬ (১) ধারা মতে, যেক্ষেত্রে কোন দালানে আলো বা বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার সুখাধিকার হিসেবে এবং অধিকার হিসেবে অব্যাহতভাবে এবং বিশ বৎসর শান্তিপূর্নভাবে ভোগ করা হয়েছে। সেক্ষত্রে অনুরুপ আলো-বাতাশের প্রবেশ ও ব্যবহার, পথ,জলশ্রোত, পানির ব্যবহার অথবা অন্য যেকোন সুখাধিকার নিরাণ্কুশ ও অলংঘনীয় অধিকারে পরিনত হবে। যদি কােন মামলায় উক্তরুপ কোন অধিকারের দাবির বিরোধিতা করা হয়, সে মামলায় উক্ত ক্ষেত্রে ২০ বৎসর বলতে মামলা দায়েরের তারিখ হতে অব্যবহিত দুই বৎসরের মধ্যে সমাপ্ত ২০ ( বিশ) বৎসর বুঝাইবে।তামাদী আইনের ২৬ (২) ধারা মতে,  যে সম্পত্তির উপর (১) উপধারা অনুসারে অধিকার দাবী করা হয়, তা যদি সরকারের সম্পত্তি হয় তবে উক্ত উপধারায় বিশ বৎসর কথাগুলির স্থলে ৬০ (ষাট) বৎসর কথাগলো প্রতিস্থাপিত হবে।

 

ব্যবহার স্বত্ব/ সুখাধিকারে বাধা সৃষ্টি হলে মামলা

আমাদের দেশের প্রচলিত তামাদী আইন ১৯০৮ এর ২৬ ধারা মোতাবেক যদি কোন ব্যক্তি বেসরকারী সম্পত্তি অর্থাৎ কারো ব্যাক্তিগত সম্পত্তির ক্ষেত্রে ২০ বছর ধরে এবং সরকারী সম্পত্তির ক্ষেত্রে ৬০ বছর ধওে অবিচ্ছিন্নভাবে স্বীয় অধিকারে আলো, বাতাস, পানি কিংবা পথ চলার অধিকার ভোগ কওে থাকে তবে দীর্ঘদিন ভোগ করার ফলে বোগ দখলকারীর অনুকুলে যে অধিকার সৃষ্টি হয়, সেই অধিকার বিঘিœত হলে আদালতের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা করিতে পারিবে। ব্যবহার স্বত্ব/ সুখাধিকার দেশের প্রচলিত এখতিয়ার সমপন্ন দেওয়ানী আদালতে মুল্যানুপাতিক কোর্ট ফি প্রদান করে আদালতের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা করার বিধান রয়েছে। The Easement Act এর ৩৩ ধারা মতে, প্রধান উত্তারাধিকারের বিদ্যমান কোন স্বার্থের মালিক কিংবা অনুরুপ উত্তারাধিকারের কোন ভোগকারী সুবিধাধিকারের অথবা উক্ত সুবিধাধিকার সহায়ক কোন অধিকার ভোগে বাধাদানের জন্য ক্ষতিপুরনের মামলা দায়ের করিতে  পারবেন। তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত বাধাদানের ফলে প্রকৃত পক্ষেই বাদীর মৌলিক কোন ক্ষতি হইল।

 

The Easement Act এর ৩৫ ধারা অনুযায়ী সুবিধাধিকার প্রতিব›দ্ধকতা প্রতিহত করার জন্য আদালতের মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা জারী করা যাইবে। যদি প্রথমত, সুবিধাধিকার প্রকৃতপক্ষেই বাধাগ্রস্থ হয় যখন এই অধ্যায়ের অধীনের অনুরুপ বাধাদানের জন্য ক্ষতিপূরন আদায় করা যাইবে; দ্বিতীয়ত, যদি অধিকাওে হুমকী সৃষ্টি করা হয় বা সৃষ্টি করার ইচ্ছা ব্যক্ত করা হয়। যখন হুমকী সৃষ্টিকারী বা সৃষ্ট করার ইচ্ছা ব্যক্তকারী কার্যটি যদি সমপন্ন করে তখন প্রয়োজন মতই ইহা ব্যবহারে বাধা সৃষ্টি করে। 


  উপসংহার


যদিও শরীয়ত সম্মত এবং প্রচলিত আইনে তথা বৈধ পন্থায় প্রতিটি ব্যক্তির নিজস্ব সম্পত্তির মালিকানা ও ভোগ দখল লাভ করার অধিকার আছে তা তার পাশ্ববর্তী অথবা সাধারন জনগনের জন্য ক্ষতিকর হবে সেভাবে ভোগ করার অধিকার প্রচলিত ও ইসলামী আইনে প্রতিব›দ্ধকতা রয়েছে। সাধারণভাবে প্রত্যেকে তার নিজের জমিকে যেভাবে তার পক্ষে সব চাইতে সুবিধাজনক হয় সেভাবে ভোগ ও ব্যবহার করতে পারেন তবে তিনি তার সম্পত্তির ব্যবহারের দ্বারা প্রতিবেশির সম্পত্তির নষ্ট কিংবা একবারেই মুল্যহীন করতে পারবে না। মালিকানা না থাকলেও সম্পত্তির উপর অন্য প্রকারের অধিকার বিশেষ বিশেষ ব্যক্তির বরাবরে উদ্ভব হইতে পারে, যেমন পথের ও ¯্রােতের অধিকার, পানি বের করে দেওয়ার অধিকার, এই অধিকারকে প্রচলিত আইনে ইজমেন্ট (জরমযঃ ড়ভ ঊধংবসবহঃ) বলা হয়, আমাদের দেশের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে এক সম্পত্তির মালিকের সহিত তার প¦ার্শবতী জমি মালিকের অথবা প্রতিবেশীর সহিত সম্পত্তির শান্তিপূর্ন ভোগ- দখলের ক্ষেত্রে ঝগড়া-বিবাদ এড়ানোর জন্য এই অধিকার দেশের বিদ্যমান প্রচলিত আইনের অধীনে দেওয়ানী আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য করার বিধান প্রবর্তন করা হয়েছে

Muhammad Ullah,
Advocate,  Supreme Court of Bangladesh,
Head of   Chamber "Muhammad Ullah and Associates",  
Meherba Plaza, Suite No. 9/A, 
(9th Floor) 33, Topkhana Road, 
Purana Paltan, Dhaka-1000.
Email: mullahiuk@gmail.com,
Cell:  01719917214




No comments:

Post a Comment