Tuesday, December 13, 2022

র্অথঋণ আদালত কর্তৃক একতরফা ডিক্রি প্রদান করা হইলে বিবাদীর প্রতিকার

 র্অথঋণ আদালতে একতরফা ডিক্রি

দেওয়ানী কার্য বিধি আইনের বিধান অনুযায়ী শুনানীর সময় বাদী উপস্থিত  এবং বিবাদী অনুপস্থিত থাকিলে উক্তরূপ অনুপস্থিতি কারণে  বিবাদী আদালত যে ডিক্রি প্রদান করা হয়, তাহাকে ‘এক তরফা ডিক্রি ' বলে । কিন্তুু  র্অথঋণ আদালত আইন, ২০০৩ একটু ব্যাতিক্রম শুনানীর দিন  বিবাদী অনুপস্থিত থাকলে  র্অথঋণ  মামলা একতরফাসুত্রে নিষ্পত্তি হবে বাদীপক্ষ উপস্থিত থাকুক বা না থাকুক। বাদীর অনুপস্থিতি কারণে  র্অথঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ১৯৷ (৬) ধারা মতে মামলা খারিজ বারিত করা হয়েছে তার মানে মামলা খারিজ হবে না।  এমনকি র্অথঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ১০ ধারা বিধান মতে  মতে , উক্তআইনানুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিবাদী লিখিত জবাব দাখিল না করিলে র্অথঋণ  মামলা একতরফাসুত্রে নিষ্পত্তি বিধান রয়েছে। র্অথঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ১৯ ধারায় এক তরফা ডিক্রি সংক্রান্ত বিষয় আরোচনা করা হয়েছে তা হলো-

১৯৷ (১) মামলার শুনানীর জন্য ধার্য কোন তারিখে বিবাদী আদালতে অনুপস্থিত থাকিলে, কিংবা মামলা শুনানীর জন্য গৃহীত হইবার পর ডাকিয়া বিবাদীকে উপস্থিত পাওয়া না গেলে, আদালত মামলা একতরফা সূত্রে নিষ্পত্তি করিবে৷


 একতরফা ডিক্রির বিরুদ্ধে বিবাদীর প্রতিকার

 র্অথঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ১৯ (২) ধারার বিধান মতে কোন মামলায়  কারো বিরুদ্ধে র্অথঋণ আদালত কর্তৃকএকতরফা সূত্রে ডিক্রী হইলে, বিবাদী উক্ত একতরফা ডিক্রীর তারিখের অথবা উক্ত একতরফা ডিক্রী সম্পর্কে অবগত হইবার ৩০ (ত্রিশ) দিবসের মধ্যে, উপ-ধারা (৩) এর বিধান সাপেক্ষে, উক্ত একতরফা ডিক্রী রদের জন্য একই আদালতে একতরফা ডিক্রিরদ রহিতের  দরখাস্ত করিতে পারিবেন৷ উক্ত ধারায় একতরফা ডিক্রি  রদ রহিতের দরখাস্ত দাখিলের সময়সীমা ৩০ দিনের কথা বলা হয়েছে এক্ষেত্রে  দিন গননায় সরকারী ছুটির দিন বাদ যাবে না।  উক্ত ধারানুযায়ী দরখাস্ত দায়েরের ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ধারা প্রযোজ্য নয়  কেননা র্অথঋণ আদালত আইন, ২০০৩ একটি বিশেষ আইন। বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ধারা প্রযোজ্য নয় ।  এছাড়া এ ব্যাপারে উচ্চ আদালতের সিদ্ধান্ত রয়েছে। 52 DLR 25

Section 5 of the limitation Act has no manner of application in the Artha in Adalat Ain 

র্অথঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ১৯ ধারায় একতরফা ডিক্রি  রদ রহিতের দরখাস্তকে মিস কেস বলা হয়।  এই মিস কেস যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেন সেই আদালতে দায়ের করিতে হয়। 

একতরফা ডিক্রি রদ-রহিতের পূর্বশর্ত 

র্অথঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ১৯ (৩) ধারার বিধান মতে কোন মামলায়  কারো বিরুদ্ধে র্অথঋণ আদালত কর্তৃকএকতরফা সূত্রে ডিক্রী হইলে, বিবাদী  (৩) উপ-ধারা (২) এর বিধান অনুযায়ী দরখাস্ত দাখিলের ক্ষেত্রে বিবাদীকে উক্ত দরখাস্ত দাখিলের তারিখের পরবর্তী ১৫ (পনের) দিবসের মধ্যে ডিক্রীকৃত অর্থের ১০% এর সমপরিমাণ টাকা বাদীর দাবীর সেই পরিমাণের জন্য স্বীকৃতিস্বরূপ নগদ সংশ্লিষ্ট আর্থিক প্রতিষ্ঠানে, অথবা জামানতস্বরূপ ব্যাংক ড্রাফট, পে-অর্ডার বা অন্য কোন প্রকার নগদায়নযোগ্য বিনিমেয় দলিল (Negotiable Instrument) আকারে জামানত হিসাবে আদালতে জমাদান করিতে হইবে৷ (৪) উপ-ধারা (৩) এর বিধানমতে ডিক্রীকৃত অর্থের ১০% এর সমপরিমাণ টাকা জমাদানের সংগে সংগে দরখাস্তটি মঞ্জুর হইবে, একতরফা ডিক্রী রদ হইবে এবং মূল মামলা উহার পূর্বের নম্বর ও নথিতে পুনরুজ্জীবিত হইবে, এবং আদালত ঐ মর্মে একটি আদেশ লিপিবদ্ধ করিবে; এবং অতঃপর মামলাটি যে পর্যায়ে এক তরফা নিষ্পত্তি হইয়াছিল, ঐ পর্যায়ের অব্যবহিত পূর্ববর্তী পর্যায় হইতে পরিচালিত হইবে৷ (৫) বিবাদী উপ-ধারা (৩) এর বিধানমতে ডিক্রীকৃত অর্থের ১০% এর সমপরিমাণ টাকা বাদীর দাবীর সেই পরিমাণের জন্য স্বীকৃতস্বরূপ নগদ সংশ্লিষ্ট আর্থিক প্রতিষ্ঠানে, অথবা জামানতস্বরূপ ব্যাংক ড্রাফট, পে-অর্ডার বা অন্য কোন প্রকার নগদায়নযোগ্য বিনিমেয় দলিল (Negotiable Instrument) আকারে জামানত হিসাবে আদালতে জমাদান করিতে ব্যর্থ হইলে, উক্ত দরখাস্তটি সরাসরি খারিজ হইবে; এবং আদালত ঐ মর্মে একটি আদেশ লিপিবদ্ধ করিবে৷

  

(৬) অর্থ ঋণ আদালতে বিচারাধীন কোন মামলা, বাদীর অনুপস্থিতির বা ব্যর্থতা হেতু খারিজ করা যাইবে না, এবং এইরূপ ক্ষেত্রে আদালত, নথিতে উপস্থাপিত কাগজাদি পরীক্ষা করিয়া গুণাগুণ বিশ্লেষণে মামলা নিষ্পত্তি করিবে৷


একতরফা ডিক্রি  রদ রহিতের জন্য পৃথক কোন মামলা দায়ের করা যাবেনা 

র্অথঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ১৯ ধারায় একতরফা ডিক্রি  রদ রহিতের দরখাস্তকে মিস কেস বলা হয়।  এই মিস কেস যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেন সেই আদালতে দায়ের করিতে হয়। একতরফা ডিক্রি  রদ রহিতের জন্য বিবাদীর পৃথক কোন দেওয়ানী মামলা  অথবা হাইকোর্টে  রিট পিটিশন চলবে না।   ব্যাপারে উচ্চ আদালতের অনেক সিদ্ধান্ত রয়েছে।


The plaintiffs-appellants without availing the remedies available to them challenged the judgment and decree in a suit before a court of ordinary civil jurisdiction. The suit thus immediately barred by law justifying rejection of plaint 55, DLR 585, 12 MLR, 73


There being a specific remedy in the statute for filing appeal against the judgment and decree of the Artha Rin Adalat, the defendant not availing the of the aforesaid remedy cannot maintain the writ petitions ( 56 DLR (AD) 189 06),  (BCR 2006 (AD) 189)




Muhammad Ullah,

Advocate,  Supreme Court of Bangladesh,

Head of  "Muhammad Ullah and Associates",  

Meherba Plaza, Suite No. 9/A, 

(9th Floor) 33, Topkhana Road, 

PuranaPaltan, Dhaka-1000.

Email: mullahiuk@gmail.com,

Cell :  01719917214 




No comments:

Post a Comment