র্যাগিং কি?
র্যাগিং শব্দরে র্অথ নাকি 'পরচিয়র্পব'। কিন্তুু বাস্তবে পরচিয়র্পবরে নামে চলে মানসকি নর্যিাতন। আমাদের দেশের শিক্ষা প্রদিষ্ঠানে নতুন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুরানো শিক্ষার্থীদের সখ্য গড়ে তোলার জন্য যে পরিচিতি প্রথা এ দেষশ সেটাকে র্যাগিং অভিহিত করা হয় ।
মূলত র্যাগিং এর নামে শারীরিক করা হয় তম্মোধ্যে, কার ধরে ওঠবস করোনো, রড/ লাঠি দিয়ে পেটানো, পানিতে চুবোনা, উচু ভবস থেকে লাফ দেওয়ানো, গাছে ওঠানো, সিগারেটের আগুনে ছেকা দেয়া সহ বিভিন্ন রকম শারীরিক ও মানুষিক নির্য াতন গাালগালাজ করাসহ বিভিন্ন ধরনের অত্যাচার যাহার ফলে অনেক শিক্ষার্থী শিক্ষা প্র্রতিষ্ঠার ছেড়ে চলে যায় এমনকি শিক্ষা জীবনের পরিসমাপ্তি ঘঠে যাহা রতিমত অন্যায় অপরাধ বটে
মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনের একটি রায়ের এ.এস.এম. মাহাদী হাসান বনাম বাংলাদেশ, 27 BLC (HCD) 581 (Para-27 & 28) অবজারবেশন রয়েছে,
র্যাগিংয়ের জন্য আলাদা কোন আইন নেই। কেউ হত্যার শিকার হলে বা শারিরীকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হলে বাংলাদেশের ফৌজদারি মামলা করা যায়।কেবল র্যাগিং-বুলিংয়ের ঘটনা ঘটলেও যদি ফৌজদারি মামলা করার সুযোগ তৈরি হয় তাহলে অপরাধপ্রবণতা কমবে। একইসঙ্গে সচেতনতা ক্যাম্পেইনও দরকার। যৌন হয়রানি প্রতিরোধে হাইকোর্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কমিটি করার নির্দেশ দিয়েছিলেন দশ বছরে সেটিই নিশ্চিত করা যায়নি। র্যাগিং একটি সামাজিক অপরাধ (offense against society) । এই সামিাজিক অপরাধের জন্য পুরো সমাজ, রাষ্ট্র ক্ষতিগ্রস্থ হয়। এই অপরাধের ধরন, প্রকতি হত্যার (offense against society ) চেয়ে ভয়ংকর বিধায় এই অপরোধের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা উচিত তাহলে এই র্যাগিং অপরাধ লাগব করা সম্ভব। সম্প্রতি সময়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়ার ঘটনা পুরো জাতিকে হতাশ করেছে । র্যাগিংয়ের জন্য আলাদা কোন আইন অথবা র্যাগিং েকে শিডিউলভুক্ত অপরাধের মধ্যে অন্তভুক্ত করা জরুরী।
ধন্যবাদান্তে
Muhammad Ullah, offense against society offense against the manAdvocate, Supreme Court of Bangladesh,
Head of Chamber "Muhammad Ullah and Associates",
Meherba Plaza, Suite No. 9/A,
(9th Floor) 33, Topkhana Road,
Purana Paltan, Dhaka-1000.
Email: mullahiuk@gmail.com,
Cell: 01719917214
No comments:
Post a Comment